নাম তার শাবানা: রত্না থেকে বাংলা সিনেমার একজন কিংবদন্তি হয়ে উঠার গল্প

নাম তার শাবানা

সেই ৪/৫ বছর বয়সে হলে গেলাম। আব্বুর কোলে বসে ছবি দেখছি যা ছিল সম্পূর্ণ সাদাকালো। ছবির নাম ‘অবুঝ মন’। নায়ক নায়িকা রাজ্জাক, শাবানা আর সুজাতা। ছবি তেমন কিছু বুঝি নাই, শুধু মনে আছে একটি সুন্দর মুখশ্রীর রমণী একজন যুবককে কে খুব মিষ্টি সুরের একটি গান শুনাচ্ছে যা ছিল ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’। সেই যুবকটি এক সময় অন্ধও হয় তখন সেই সুন্দর মুখশ্রীর সেই রমণীর কি কান্না যা আজও চোখে লেগে আছে। সেই থেকে সেই সুন্দর মুখের মানুষটি আমার শিশু মনে জায়গা করে নেয়। ছবির গল্প, পটভূমি কিছু মনে না থাকলেও সেই সুন্দর মুখটি ঠিকই মনে রয়ে গেলো আমার। অল্প আরেকটু বড় হয়ে সেই মানুষটির নাম জানতে পারলাম নাম তার শাবানা। যে ‘শাবানা’ নামক অভিনেত্রী আমার শিশুমন জয় করে নিয়েছিল উনি সেই সবার প্রিয় ‘শাবানা’। যার নাম মনে আসলেই চোখে ভাসে স্নিগ্ধ সুন্দর নিষ্পাপ একটি মমতাময়ী মুখ। যে মুখটি আমাদের চিরসুন্দর বাঙ্গালী নারীর প্রতিচ্ছবি হয়ে চোখে ভাসে।

- Advertisement -

১৫ই  জুন ১৯৫২ সালে ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জন্মগ্রহন করেন শাবানা যার আসল নাম আফরোজা সুলতানা রত্না।  বাবার নাম ফয়েজ চৌধুরী ও মায়ের নাম ফজিলাতুন্নেসা। শাবানার বাবা ছিলেন একজন টাইপিস্ট। সামান্য আয়ের পরিবার হলেও তারা একটি সুখি পরিবার ছিলেন। পড়াশুনায় মন না থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে মাত্র ৯ বছর বয়সে। তিনি ১৯৬২ সালে ‘নতুন সুর’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন ছোট্ট মেয়ের চরিত্রে। ১৯৬৩ সালে তিনি উর্দু ‘তালাশ’ ছবিতে নাচের দৃশ্যে অংশ নেন। তারপর বেশ কিছু চলচ্চিত্রে তিনি এক্সট্রা হিসেবে কাজ করেন। ‘আবার বনবাসে রূপবান’ এবং ‘ডাক বাবু’ সিনেমাতে তিনি সহ-নায়িকার কাজ পান। ‘চকোরী’ ছবিতে কাজ করার আগে ‘জংলী মেয়ে’ ছবির কাজ শুরু করেন তিনি। ‘জংলী মেয়ে’ ছবিতে তার নায়ক ছিলেন আজিম।

১৯৬৭ সালে পরিচালক এহতেশাম তাঁর উর্দু ছবি ‘চকোরী’ ছবির জন্য একজন নায়িকা খুঁজছিলেন। এই এহতেশাম এর হাত ধরে এসেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রে শবনম যিনি সেই সময়ের একজন জনপ্রিয় নায়িকা। সেই এহতেশাম এবার যাকে পছন্দ করলেন তাঁর পারিবারিক নাম ছিল ‘রত্না’। তিনি সেই রত্না নাম বদলে নাম দিলেন ‘শাবানা’ । সেই থেকে শুরু হলো বাংলা চলচ্চিত্রের এক ‘লক্ষ্মী’ দেবীর যুগ যা ছিল একটানা ৭০-৯০ দশক পর্যন্ত দুর্দান্ত প্রতাপে। সেই উর্দু ‘‘চকোরী’ দিয়ে পাকিস্তানের আরেক জনপ্রিয় নায়ক নাদিম এর সাথে অভিনয় দিয়ে যার শুরু সেই ‘শাবানা’ অতি দ্রুত হয়ে গেলেন সত্যি সত্যিই বাংলা চলচ্চিত্রের এক রত্ন। যার নিষ্ঠা, সততা ও অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা ছিল পুরোটা অভিনীত সময় জুড়েই সবার কাছে আলোচিত ও সব শিল্পীর জন্য এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।

- Advertisement -

যে সময়ে রাজ্জাক-কবরী জুটি চরম জনপ্রিয় সেই সময়েই শাবানা স্বমহিমায় নিজেকে চেনালেন যে তিনি কারো সাথে একক জুটির জন্য জনপ্রিয় হতে আসেননি, তিনি নিজের যোগ্যতা দিয়েই এই চলচ্চিত্র শিল্পে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। সেই ক্ষেত্রে শাবানা পুরোপুরি সফল। ১৯৬৮ সালে নায়িকা হিসেবে ‘চাঁদ আওর চাঁদনী’, ‘ভাগ্যচক্র’ ও ‘কুলী’তে; ১৯৬৯ সালে ‘দাগ’, ‘মুক্তি’; ১৯৭০ সালে ‘পায়েল’, ‘সমাপ্তি’, ‘ছদ্মবেশী’, ‘বাবুল’, ‘মধুমিলন’ এবং ‘একই অঙ্গে এত রূপ’ ছবিতে অভিনয় করেন। স্বাধীনতার পরপর ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘ওরা এগারোজন’ এ অভিনয় করেন শাবানা। ওই বছরই ‘অবুঝ মন’ ছবিতে অভিনয় করে সারাদেশে অসম্ভব খ্যাতি পেলেন। ১৯৭২ সালে এ দুটি ছবিসহ তার আরও ৬টি ছবি মুক্তি পায়। ছবিগুলো হলো – ‘সমাধান’, ‘ছন্দ হারিয়ে গেল’, ‘এরাও মানুষ’, ‘মুন্না আওর বিজলী’, ‘চৌধুরী বাড়ী’ এবং ‘স্বীকৃতি’। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে কয়েকটি হলো – ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘চাষার মেয়ে’, ‘উৎসর্গ’, ‘মায়ার বাঁধন’, ‘আগুন’, ‘সোহাগ’, ‘মাটির ঘর’, ‘বধূ বিদায়’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘লালুভুলু’, ‘ভাত দে’, ‘লাল কাজল’ প্রভৃতি।

৮০’র দশকের শেষ দিকে যখন তাঁর সময়কার সব অভিনেত্রী নায়িকা/মূল চরিত্রে বেমানান সেই সময় তো বটেই ৯০ দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত শাবানা সেখানে নায়িকা/মূল চরিত্রে দাপটের সাথে অভিনয় করে গেছেন। একটানা তিন দশক দাপটের সাথে অভিনয় করে যেতে আজ পর্যন্ত শাবানা ছাড়া অন্য কোন অভিনেত্রী পারেনি হয়তো আগামীতেও পারবেনা। সেই শিশুকালে যেদিন থেকে হলে ছবি দেখা বুঝেছি সেদিন থেকেই দেখেছি শাবানা নামটি মানুষের কাছে কত প্রিয় ছিল! যিনি দর্শককে ইচ্ছে মতো যখন খুশি কাঁদাতে পারতো ,যখন খুশি হাসাতে পারতো।তিনি শুধু রাজ্জাক নয়, রহমান, আলমগীর, সোহেল রানা, জসীম, খসরু, উজ্জ্বল এর সাথেও ছিলেন চরম সফল এক অভিনেত্রী। আবার কখনও কখনও শাবানা কে দেখার জন্যই হলে দর্শকের ঢল নামতো। শাবানা মানেই বাংলার একটি চিরচেনা রমণীর রূপ। এমন সময় গেছে যেখানে নায়ক কে সেইটা দর্শকের জানার বিষয় নয় ছবিতে শাবানা আছেন ঐ ছবি তাদের দেখতেই হবে। এমনই এক ইমেজ তিনি গড়ে ছিলেন যা আজও কোন অভিনেত্রী পারেনি। বিশেষ করে আলমগীর-শাবানা জুটি ছিল গ্রামবাংলার, নগরে সবার কাছে সামাজিক ও পারিবারিক ছবির জনপ্রিয় জুটি। যে জুটির ১০০ টির মতো ছবি আছে যার বেশির ভাগই ব্যবসাসফল। আর জসীম-শাবানা ও সোহেল রানা-শাবানা জুটি মানে জমজমাট সামাজিক অ্যাকশন ছবির জনপ্রিয় জুটি। শাবানা অভিনীত ছবির সংখ্যা প্রায় ৪০০ টির মতো যার মধ্য অসংখ্য ব্যবসা সফল ছবি আমাদের উপহার দিয়েছিলেন। এসব ছবিতে কখনও গরীব দুখী এক নারী, কখনও শহরের আধুনিক মেয়ে, কখনও স্বামী ভক্ত বাংলার চিরচেনা স্ত্রী, কখনও ভাবী, কখনও মা, কখনও এক প্রতিবাদী নারী এমন সব চরিত্রে অভিনয় করে পুরোটা সময় দর্শকদের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতেন। শাবানার শেষ পরিণতি না দেখা পর্যন্ত বাংলার মহিলা দর্শকরা সহ পুরুষ দর্শকরাও হলের আসন ছেড়ে উঠতে চাইতেন না। এমনই এক দুর্দান্ত অভিনেত্রী ছিলেন যিনি সব অভিনেত্রীর মাঝে সবচেয়ে বেশী পুরস্কৃত হয়েছেন।

শাবানা সম্পর্কে বলতে হয় তিনি শুধু একজন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রীই ছিলেন না, ছিলেন একজন খুবই ব্যবসা সফল প্রযোজক। ১৯৭৪ সালে তিনি ওয়াহিদ সাদিককে বিয়ে করেন। তিনি একজন সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন। ডাকু মনসুর সিনেমাতে অভিনয় করতে যেয়ে শাবানার সঙ্গে ওয়াহিদ সাদিকের মন দেওয়া-নেওয়া শুরু। পরিচালক ইবনে মিজানকে শাবানা আঙ্কেল বলে সম্বোধন করতেন। সাদিকও ইবনে মিজানকে ওই একই সম্বোধন করতেন। ফলে শাবানা ও সাদিকের ভেতর একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওয়াহিদ সাদিক নাকি প্রায়ই ডাকু মনসুর সিনেমার সু্যটিং দেখতে যেতেন। পরিচালক সাহেবও সম্পর্কের জের ধরে কিছুই বলতেন না। বলা যায় কিছুটা সুযোগ করে দিতেন। সিনেমার চিত্রায়নের মধ্যেই তাঁদের মন দেওয়া-নেওয়ার ব্যাপারটা সেরে ফেলেন তাঁরা। তারপর একসময় বাতাসের মতো চারিদিকে পৌঁছে যায় খবরটা। সেটা ছিল ১৯৭৩ সালের কথা। এর এক বছর যেতে না যেতেই তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বামী ও প্রযোজক ওয়াহিদ সাদিক কে নিয়ে গড়ে তুলেন ‘এস এস প্রোডাকশনস’। প্রথম ছবি পরিচালনা করেন আজিজুর রহমান এবং কাহিনী লিখেন এ টি এম শামসুজ্জামান ।

তবে নিজের প্রযোজিত প্রথম ছবি শুরুর অভিজ্ঞতা খুব সুখকর ছিলো। প্রথম  ছবিটি  আটকে যায় অর্থের অভাবে। পরে বিভিন্ন জনের কাছ  থেকে  সাহায্য নিয়ে ছবিটির কাজ শুরু করেন পরিচালক। প্রথমে শাবানা প্রোডাকশন নাম চূড়ান্ত হলেও পরে পাল্টে শাবানা ও ওয়াহিদ সাদিকের প্রথম অক্ষর দিয়ে রাখা হয় এস এস প্রোডাকশন। সেই ছবির প্রথম দৃশ্যের চিত্রায়ন হয় এফডিসিতে। দুই নম্বর ফ্লোরে মাটির ঘরের বাড়ি তৈরি করে সেট করে শিল্প নির্দেশক। রাজ্জাক, টেলি সামাদ ও রওশন জামিলকে নিয়ে মহরত হয়। পরে মানিকগঞ্জের কলাকোপা বান্দুরা গ্রামে দৃশ্য গ্রহণ করা হয়। কাজ শেষে ঢাকায় এসে শাবানা বিজয়নগরে প্রথম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালু করেন। দেশের বিভিন্ন হল মালিকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে ছবির প্রিন্ট করানো হয়। অবশেষে ১৯৭৯ সালের ২৩ এপ্রিল ‘মাটির ঘর’ নামে ছবিটি মুক্তি পায়। একযোগে ২০টি প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তি দেওয়া হয়। ছবিটি প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে বেশ ব্যবসাসফল হয়। প্রযোজক হিসেবে শাবানার নাম থাকলেও পরবর্তীতে জানা যায় যে, এতে মূলত অর্থলগ্নি করেন বিউটি সিনেমা হলের মালিক এসএ খালেক ও হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক জয়নাল আবেদিন। এস এস প্রোডাকশনের পরবর্তী সিনেমা ছিল ‘সোনার তরী’। যা বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা প্রযোজনা সংস্থা হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে। এস এস প্রোডাকশনস এর উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো – ‘মাটির ঘর’, ‘নাজমা’, ‘লাল কাজল’, ‘মান সম্মান’, ‘রাজার মেয়ে বেদেনী’, ‘স্বামী স্ত্রী’, ‘অশান্তি’, ‘বিজয়’, ‘অন্ধ বিশ্বাস’, ‘রাঙাভাবী’, ‘অচেনা’, ‘লক্ষ্মীর সংসার’, ‘ঘাত প্রতিঘাত’, ‘স্বামী কেন আসামী’, ‘মেয়েরাও মানুষ’, ‘স্বামী ছিনতাই’ এর মত আরও অনেক ব্যবসাসফল ও পুরস্কারপ্রাপ্ত ছায়াছবি।

শাবানা মোট ১০ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। শাবানার  প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছিল সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে ১৯৭৭ সালে ‘জননী’ সিনেমার জন্যে। তবে সেটা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর সাফল্য তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখে। সখী তুমি কার (১৯৮০), দুই পয়সার আলতা (১৯৮২), নাজমা (১৯৮৩), ভাত দে (১৯৮৪), অপেক্ষা (১৯৮৭), রাঙা ভাবী (১৯৮৯), মরণের পরে (১৯৯০), অচেনা (১৯৯১) পর্যন্ত দুইবার করে টানা তিন বছর সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে ১৯৮১ সালে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয় নি। এছাড়াও এফডিসির রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর সম্মাননা পান শাবানা। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রথম কোনো ছবি হিসেবে কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এ দেখানো হয় শাবানা অভিনীত ও আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘ভাত দে’ সিনেমাটি। তাঁর অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে আছে ১৯৮২ সালে নাট্য নিকেতন পুরস্কার, ১৯৮৫ সালে ললিতকলা একাডেমী পুরস্কার, ১৯৮৪ সালে সায়েন্স ক্লাব পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে কথক একাডেমী পুরস্কার এবং ঐ বছরই জাতীয় যুব সংগঠন পুরস্কার, ১৯৯১ সালে প্রযোজক সমিতি পুরস্কার, ১৯৮২ ও ১৯৮৭ সালে বাচসাস পুরস্কার, ১৯৮৪ সালে আর্ট ফোরাম পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে আর্ট ফোরাম পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে নাট্যসভা পুরস্কার, ১৯৮৭ সালে কামরুল হাসান পুরস্কার।

শাবানা নিজের অভিনয় ও প্রযোজিত দুর্দান্ত সব ছবি দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রকে করেছেন অনেক সমৃদ্ধ। আজ তিনি বহুদূরে সেই আমেরিকায় সপরিবারে বসবাস করছেন তবুও বাংলার কোটি মানুষ তাঁকে আজও ভুলতে পারেনি। একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে দেখবেন যে যেদিন থেকে শাবানা অভিনীত ও প্রযোজিত ছবি মুক্তি পাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে সেদিন থেকেই বাংলা চলচ্চিত্র ধীরে ধীরে তাঁর জৌলুস হারিয়ে ধ্বংসের পথে পা বাড়িয়েছে। সেজন্য শাবানা কে বলা যায় বাংলা চলচ্চিত্রের এক ‘লক্ষ্মী’ দেবী। আজও সেই ‘লক্ষ্মী’ দেবীর স্থান কেউ দখল করতে পারেনি যার জন্য হয়তো আজও আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প পতনের মুখ থেকে উদ্ধার হয়নি। আজ মুখ থুবড়ে পড়া আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর মতো একজন ‘লক্ষ্মী’ দেবীর খুব খুব বেশী প্রয়োজন।

আরো পড়ুনঃ
মহানায়ক মান্না: নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের এক ‘তেজি পুরুষ’
অ্যাকশন কিং জসিম: অসম্ভবকে সম্ভব করা সত্যিকারের এক নায়ক
লড়াকু নায়ক রুবেল: বাংলা চলচ্চিত্রের অনন্য এক অ্যাকশন হিরো’র গল্প

ফজলে এলাহী
বাংলা সিনেমার স্বরূপ সন্ধানে কাজ করে যাওয়া একজন অক্লান্ত যোদ্ধা ফজলে এলাহী। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী অতীত তুলে ধরার জন্য নিরলসভাবে লিখে যাচ্ছেন তিনি। ফজলে এলাহীকে আমাদের একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে পেয়ে ফিল্মীমাইক শ্লাঘা বোধ করছে। নতুন প্রজন্মের কাছে তার এই কাজকে পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

এ সম্পর্কিত

আরো পড়ুন

- Advertisement -

সর্বশেষ

মুক্তি প্রতীক্ষিত

  • লিডার আমিই বাংলাদেশ
    লিডার আমিই বাংলাদেশ