‘নো টাইম টু ডাই’ দেখার আগে জেমস বন্ড সম্পর্কে আপনার যা জানা দরকার!

‘নো টাইম টু ডাই’

অবশেষে বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘নো টাইম টু ডাই’। সিনেমাটিতে পঞ্চম এবং শেষবারের মত জেমস বন্ড হিসেবে পর্দায় আসছেন ব্রিটিশ তারকা ড্যানিয়েল ক্রেগ। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মত জেমস বন্ড চরিত্রে দেখা যায় এই তারকাকে। সংখ্যার দিক থেকে শন কনারি এবং রজার মুরের চেয়ে কম হলেও সময় বিবেচনায় সবচেয়ে বেশী সময় জেমস বন্ড হিসেবে ছিলেন ড্যানিয়েল ক্রেগ। কনারি এবং রজার মুর প্রত্যেকে ৭টি সিনেমায় জেমস বন্ড চরিত্রে অভিনয় করলেও ‘এজেন্ট ০০৭’ চরিত্রে ১৫ বছর ছিলেন ড্যানিয়েল ক্রেগ। এই তারকার সর্বশেষ জেমস বন্ড সিনেমা ‘নো টাইম টু ডাই’ নিয়ে আসছে নতুন খলনায়ক সাফিন (রামি মালেক)। এছাড়া ২০১৫ সালের ‘স্পেকট্রা’র পটভূমির সমাপ্তি হতে যাচ্ছে এই সিনেমায়।

- Advertisement -

‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ সিনেমাটি আসলে জেমস বন্ডের একটি পরিপূর্ন রিবুট সিনেমা ছিলো। ১৯৬১ সালে শন কনারির ‘ডঃ নো’ সিনেমা দিয়ে যে পটভূমির শুরু হয়েছিলো তা শেষ হয় ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পিয়ার্স ব্রোসনান অভিনীত ‘ডাই এনাদার ডে’ সিনেমার মাধ্যমে। ‘জেসন বোর্ন’ সিরিজের সিনেমাগুলোর সাফল্য থেকে উৎসাহিত হয়ে জেমস বন্ড নির্মাতারা এই সিরিজের ২১তম সিনেমা দিয়ে পটভূমি নতুন করে সাজানোর সিদ্ধান্ত নেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইয়ান ফ্লেমিং এর প্রথম ০০৭ উপন্যাস ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’কে সিনেমায় রূপ দেন নির্মাতারা। ফলশ্রুতিতে ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার ব্যবসা করে। এরপর ২০০৮ সালে মুক্তি পায় এই সিরিজের পরবর্তি সিনেমা ‘কোয়ান্টাম অফ সোলাস’। কিন্তু আগের পর্বের মত সফলতা পায়নি এই সিনেমা। কিন্তু ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘স্কাইফল’ সিনেমাটি আবারো বক্স অফিসে ঝড় তোলে। কিন্তু ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘স্পেকট্রা’ সমালোচক এবং দর্শকদের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়।

কোরি জোজি ফুকুনাগা পরিচালিত প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘নো টাইম টু ডাই’ এর মাধ্যমে শেষ হচ্ছে জেমস বন্ড হিসেবে ড্যানিয়েল ক্রেগের যাত্রা। এই সিনেমাটির অন্য একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এর মাধ্যমে ০০৭ এজেন্টের একটি সুনির্দিষ্ট সমাপ্তি হচ্ছে যা এই সিরিজে আগে দেখা যায়নি। করোনা মহামারীর আগে ২০২০ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও বেশ কয়েকবার পিছিয়ে যায় সিনেমাটির মুক্তি। ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ থেকে ‘নো টাইম টু ডাই’ – এই সময়ে ড্যানিয়েল ক্রেগের সিনেমাটিক অ্যাডভেঞ্চার পেয়েছে এক অন্য পরিসমাপ্তি। ‘নো টাইম টু ডাই’ দেখার আগে জেমস বন্ড সিরিজের এই সময়ের ব্যাপ্তিতে ‘এজেন্ট ০০৭’ সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদেড় জন্য তুলে ধরার চেষ্টা করবো এই লিখায়।

- Advertisement -

‘নো টাইম টু ডাই’

ক্যাসিনো রয়্যালের আগে: জেমস বন্ডের নতুন ইতিহাস
ইয়ান ফ্লেমিংয়ের উপন্যাস ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ থেকে জানা যায় যে, ১২ বছর বয়সে বাবা-মা’কে হারিয়ে এতিম হয়ে যায় জেমস বন্ড। জেমসের বাবা অ্যান্ড্রু বন্ড এবং মা মনিক ডেলাক্রিক্স একটি দূর্ঘটনায় মারা যান। অস্ট্রেলিয়ান আরোহণ এবং স্কিইং প্রশিক্ষক হ্যানেস ওবারহাউজার কতৃক দত্তক নেয়ার আগে পর্যন্ত জেমস তার পারিবারিক ঠিকানা স্কটল্যান্ড লজ স্কাইফলে থাকতো। বন্ডের সাথে তার বাবার ঘনিষ্ঠতায় বিরক্ত ছিলো জেমসের পালক ভাই ফ্রাঞ্জ ওবারহাউজার এবং এই বৈরিতা তাদের যৌবনেও অব্যাহত ছিল।

এই বৈরতার কারনে ফ্রাঞ্জ তার বাবকে হত্যা করে এবং পালিয়া যায়। আর তার মায়ের প্রথম নাম গ্রহণ করে এবং নিজেকে আর্নস্ট স্ট্যাভ্রো ব্লোফেল্ড হিসাবে পরিচিত করে। কয়েক বছর পর ব্লোফেল্ড গ্লোবাল অপরাধ নেটওয়ার্ক স্পেকট্রা’র গোপন নেতা হিসেবে আবির্ভুত হয়। স্পেকট্রা বছরের পর বছর ধরে জেমস বন্ডের অসংখ্য প্রতিপক্ষকে নিযুক্ত করেছে। এদিকে বন্ডের সামরিক ক্যারিয়ার শুরু হয় রয়্যাল নেভি থেকে, যা বন্ডকে এমআই৬-এ অন্তর্ভূক্ত করতে সাহায্য করে। পরবর্তিতে নিজের যোগ্যতা দিয়ে জেমস ‘০০’ দলের এজেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়। বন্ড ক্যাসিনো রয়্যালের প্রি-ক্রেডিট ক্রম অনুসারে হত্যা করার জন্য তার লাইসেন্স অর্জন করে। আর এজেন্ট ০০৭ হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসে যোগদানের জন্য দুটি হত্যা সম্পন্ন করে।

‘নো টাইম টু ডাই’

ক্যাসিনো রয়্যাল: ভেসপার লিন্ডের সাথে সম্পর্ক এবং কোয়ান্টাম সম্পর্কে জানা
বেসরকারি ব্যাংকার থেকে সন্ত্রাসী হওয়া লে চিফ্রে (ম্যাডস মিকেলসেন)-কে থামানোই ক্যাসিনো রয়্যালে জেমসের প্রাথমিক মিশন ছিলো। জেমস বন্ডকে মন্টিনিগ্রোর ক্যাসিনো রয়্যাল-এ পোকারের একটি উচ্চ-স্টেক গেম খেলতে পাঠানো হয়েছিল, যা বন্ডকে লে চিফ্রের অপারেশন এবং তাকে থামানোর উপায় জানতে সাহায্য করেছিলো। খেলায় বন্ডের অংশীদারিত্ব প্রদান করেছিলেন ভেসপার লিন্ড (ইভা গ্রিন), যিনি ব্রিটিশ ট্রেজারিতে কাজ করেন। সেই মিশনে জেমস ফরাসি গুপ্তচর ম্যাথিস (জিয়ানকার্লো গিয়ান্নিনি) এবং সিআইএ এজেন্ট ফেলিক্স লেইটার (জেফরি রাইট) নামে আরো দুইজনকে সাথে পেয়েছিলেন।

জেমস লিন্ডের প্রেমে পরে যায় এবং এরপর সে জানতে পারে যে লিন্ড লে চিফ্রের হয়ে কাজ করে। কিন্তু এরমধ্যে লে চিফ্রে তারই প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা মিঃ হুয়াইট কতৃক খুন হয়েছিলেন। এরপর ভেসপার লিন্ড আত্নহত্যা করে জেমস বিশ্বাস করে যে লিন্ডা তাকে প্রতারিত করেছিলো এবং কখনই সত্যিকার ভাবে ভালোবাসে নি। জেমস ভেসপার লিন্ডার মোবাইল থেকে মিঃ হুয়াইটের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে তার সাথে দেখা করে। সে সাক্ষাতে জেমস মিঃ হুইয়াটের পায়ে গুলি করে এবং তাকে বন্দী করে নিয়ে আসে।

‘নো টাইম টু ডাই’

কোয়ান্টাম অফ সোলাসঃ ক্যাসিনো রয়্যালের প্লটের সমাপ্তি
‘কোয়ান্টাম অফ সোলাস’ এর গল্পটা শুরু হয়েছিলো ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ যেখানে শেষ হয়। বন্দী করে নিয়ে আসার পর জেমস বন্ড এবং এম বুঝতে পারে যে মিঃ হুয়াইটের প্রতিষ্ঠান তারা যেরকম চিন্তা করেছিলো তার চেয়েও অনেক বড়। এছাড়া এমআই৬-এ মিঃ হুয়াইটের লোক আছে বলেও জানতে পারে তারা। তদন্তের সূত্র ধরে বন্ড বলিভিয়ার একটি পথ অনুসরণ করে যেখানে তিনি ডোমিনিক গ্রিন (ম্যাথিউ আমালরিক) নামে একজন পরিবেশবাদীর মুখোমুখি হন। ডোমিনিক গ্রিন তার প্রাক্তন প্রেমিকা ক্যামিলি মন্টেস (ওলগা কুরিলেনকো) কে হত্যা করার মাধ্যমে বলিভিয়ান সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেন।

গ্রীন এর চক্রান্ত ব্যর্থ করার আগে বন্ড ডমিনিককে অস্ট্রিয়ার একটি অপেরায় অনুসরণ করেন, যেখানে তিনি কোয়ান্টামের একটি উচ্চ-স্তরের সভায় অনুপ্রবেশ করেন। কোয়ান্টাম হচ্ছে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা একটি অপরাধী নেটওয়ার্ক যা গ্রীন এবং মিস্টার হোয়াইটকে নিযুক্ত করেছিল। বন্ড এবং ক্যামিল ডোমিনিককে বলিভিয়ার মরুভূমিতে রেখে আসার আগে চাকরিদাতাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। অবশেষে বন্ড কোয়ান্টামে ভেসপার লিন্ডের সাথে ছিল তা উপলব্ধি করে এবং ভেসপারের প্রাক্তন প্রেমিক ইউসুফ কাবিরা (সাইমন ক্যাসিয়ানাইডস) কে খুঁজে বের করে এবং তাকে ক্ষমা করে দেয়। ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ এবং ‘কোয়ান্টাম অফ সোলাস’ একটি দুই পর্বের গল্প ছিল যা আপাতদৃষ্টিতে শেষ হয়েছে বকে মনে হয় যতক্ষণ না ‘স্পেকট্রা’ ক্রেইগের ০০৭-এর কাহিনীর গল্পে ফিরে যায়।

স্কাইফলঃ জেমস বন্ডের উৎপত্তি অনুসন্ধান করে এবং এম-কে হত্যা
ক্যাসিনো রয়্যাল/কোয়ান্টাম অফ সোলেসের কয়েক বছর পর, ইস্তাম্বুলে একটি মিশনের সময় জেমস বন্ড দুর্ঘটনাক্রমে ইভ মানিপেন্নি (নওমি হ্যারিস) দ্বারা অগ্নিকান্ডের শিকার হন। সেই ঘটনায় জেমস বন্ড মারা গেছেন বলে সবাই মনে করে। এদিকে রাউল সিলভা (জেভিয়ার বারডেম) নামে একটি সাইবার সন্ত্রাসী বিশেষভাবে যুক্তরাজ্য এবং এমকে টার্গেট করে। এই অবস্থায় দেখা যায় যে বন্ড বেঁচে আছেন এবং মদ্যপ অবস্থায় জীবনযাপন করছেন। সিলভা এমের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য একজন প্রাক্তন ‘০০’ এজেন্ট হিসাবে আবির্ভূত হন। এদিকে এম ব্রিটিশ সরকারের তত্ত্বাবধানে তার সংস্থার পদক্ষেপগুলি রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর।

বন্ড সিলভাকে বন্দী করে তাকে লন্ডনে ফিরিয়ে দেয় এবং শুধুমাত্র সিলভার জন্য প্রকাশ করে যে এটি তার মাস্টার প্ল্যানের অংশ। কিন্তু লন্ডন থেকে সিলভা পালিয়ে গেলে জেমস বন্ড এম’কে রক্ষার দায়িত্ব ব্যাক্তিগত ভাবে নেয়। এম’কে নিরাপদ রাখার জন্য জেমস তাকে তার স্কটল্যান্ডের বাড়ি স্কাইফলে নিয়ে আসে। একজন গ্রাউন্ডস্কিপারের সাহায্যে সিলভা এম’কে অপহরণ করে এবং এই ঘটনায় এম গুরুতরভাবে আহত হন। পরবর্তিতে বন্ড সিলভাকে হত্যা করলেও এম’কে বাঁচাতে ব্যার্থ হয়। গ্যারেথ ম্যালরি (রালফ ফিয়েন্স) নতুন এম হিসেবে নিযুক্ত হন এবং জেমস বন্ড আবারো এমআই৬-এ সক্রিয় দায়িত্ব পালন করেন। এভাবেই স্কাইফলের মাধ্যমে ড্যানিয়েল ক্রেইগের ‘০০৭’ সিনেমার সফট রিবুট সম্পন্ন হয়।

স্পেকট্রাঃ কোয়ান্টাম এবং ব্লোফেল্ডের সাথে বন্ডের ইতিহাস
এম-এর রেখে যাওয়া একটি এজেন্ডা অনুসরণ করে জেমস বন্ডের মেক্সিকো সিটিতে একটি অননুমোদিত মিশনে যাওয়া দিয়ে শুরু হয় ‘স্পেকট্রা’। বন্ড তার টার্গেট মার্কো সিয়েরা (আলেসান্দ্রো ক্রেমোনা)-এর পতন ঘটালে নতুন এম তার নতুন প্রতিপক্ষ্য ম্যাক্স ডেনবিগ (অ্যান্ড্রু স্কট) এর মুখোমুখি হয়। ম্যাক্স ডেনবিগ ‘০০’ শাখাটি বন্ধ করে দিয়ে ‘নাইন আইজ’ নামে নতুন একটি বৈশ্বিক নজরদারি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে চান। ঘটনার ধারাবাহিকতায় বন্ড স্পেকট্রা’র একটি শীর্ষ গোপন বৈঠকে অনুপ্রবেশ করে, যা জেমসের প্রাক্তন পালক ভাই ফ্রাঞ্জ ওবারহাউজার তত্ত্বাবধান পরিচালিত হয়। ওবারহাউসারের হিটম্যান মিঃ হিনক্স (ডেভ বাটিস্টা) এর উপস্থিতি সত্ত্বেও বন্ড রোম থেকে পালিয়ে যায় এবং মিঃ হোয়াইটকে খুঁজে পায়। স্পেকট্রা’র ভয়ে আত্মহত্যা করার আগে মিঃ হোয়াইট বন্ডকে তার মেয়ে ডঃ ম্যাডেলিন সোয়ান (লিয়া সেডক্স) কে রক্ষা করার অনুরোধ করে।

বন্ড এবং ম্যাডেলিন তার বাবার রেখে যাওয়া একটি পথ অনুসরণ করে মরুভূমিতে স্পেকট্রা’র সদর দফতরে যান। সেখানে তারা ওবারহাউসারের সাথে দেখা করে, যিনি নিজেকে আর্নস্ট স্ট্যাভ্রো ব্লোফেল্ড হিসাবে পরিচয় দেন। ব্লোফেল্ড বন্ডকে এও জানান যে তিনি তার পুরো ক্যারিয়ারের সব সমস্যার লেখক তিনি ছিলেন এবং কোয়ান্টাম এবং তার পূর্ববর্তী শত্রুরা সবাই স্পেকটারের পৃষ্ঠপোষকতায় কাজ করছিলো। বন্ড আরো জানতে পারে যে, ব্লোফেল্ড ‘নাইন আইজ’ প্রোগ্রামের পিছনে রয়েছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের সমস্ত প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা স্পেকট্রা’র নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। বন্ড ব্লোফেল্ডের মৃত্যুর ফাঁদ থেকে পালিয়ে যায় এবং স্পেকট্রা’র ঘাঁটি ধ্বংস করার পর ম্যাডেলিনের সাথে লন্ডনে ফিরে যায়। ব্লোফেল্ড আবার ম্যাডলিনকে অপহরণ করে এবং আরো একটি মৃত্যুর ফাঁদ থেকে নিজেকে রক্ষা করে অবশেষে ব্লোফেল্ডকে বন্ধী করে। এরপর বন্ড ‘007’ পদ থেকে অবসর গ্রহণ করে এবং ম্যাডেলিনের সাথে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিস ছেড়ে চলে যায়।

মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘নো টাইম টু ডাই’ সিনেমার মাধ্যমে শেষ হচ্ছে জেমস বন্ড হিসেবে ব্রিটিশ তারকা ড্যানিয়েল ক্রেগের যাত্রা। ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ দিয়ে যে পটভূমির শুরু হয়েছিলো ‘নো টাইম টু ডাই’ দিয়ে তার ইতি টানছেন নির্মাতারা। ড্যানিয়েল ক্রেগের পর বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই চরিত্রকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে কে আসেন এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আরো পড়ুনঃ
‘হলিউড ওয়াক অব ফেম’ তারকা সম্মাননা পাচ্ছেন ড্যানিয়েল ক্রেগ
নারী ‘বন্ড’ প্রসঙ্গে যা বললেন ‘নো টাইম টু ডাই’ তারকা ড্যানিয়েল ক্রেগ
আর দেখা যাবে না ‘জেমস বন্ড’ রুপেঃ আবেগপ্রবণ ড্যানিয়েল ক্রেগ

হোসেন মৌলুদ তেজোhttps://iammoulude.com/
হোসেন মৌলুদ তেজো একজন নিয়মিত ব্লগার যিনি সিনেমা নিয়ে লিখতে ভালোবাসেন। সিনেমার পাশাপাশি কবিতা, ছোট গল্প, সমসাময়িক এবং ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয়েও লিখে থাকেন। প্রফেশনালী একটি বেসকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি বই পড়ে, সিনেমা দেখে এবং তার একমাত্র ছেলের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করেন।

এ সম্পর্কিত

আরো পড়ুন

- Advertisement -

সর্বশেষ

মুক্তি প্রতীক্ষিত

  • লিডার আমিই বাংলাদেশ
    লিডার আমিই বাংলাদেশ