বলিউডের লেডি সুপারষ্টার এবং তাদের সিনেমা উপাখ্যানঃ ১৯৮০ থেকে ২০২০

বলিউডের লেডি সুপারষ্টার

বলিউডের সিনেমায় সুপারষ্টার নিয়ে কথা আসলে আমরা সাধারণত নায়ক বা অভিনেতাদের কথা বলে থাকি। কিন্তু, বলিউডে এমন কয়েকজন অভিনেত্রী এসেছেন বা আছেন যারা কোন অংশেই সুপারস্টারের চেয়ে কোন অংশেই কম নন। এক অভিনেত্রীরা এককভাবেই পারবেন একটি সিনেমাকে ব্যবসায়িক সফলতা এনে দিতে। বলিউডের ১৯৮০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এমন কয়েকজন লেডি সুপারষ্টার নিয়ে আলোচনা থাকছে এই লিখায়।

- Advertisement -

১। শ্রীদেবী (১৯৮৩ থেকে ১৯৯৪)
একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী যিনি তামিল, তেলুগু, হিন্দি, মালয়ালম এবং কিছু সংখ্যক কন্নড় চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে প্রথম নারী সুপারস্টার বিবেচিত হন। তিনি একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে একটি করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, তামিলনাড়ু রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, নন্দী পুরস্কার, তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, একটি ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার ও তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ।পাঁচ দশকের অভিনয় জীবনে তিনি সংগ্রামী নারী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং তিনি স্ল্যাপস্টিক হাস্যরস থেকে শুরু করে মহাকাব্যিক নাট্যধর্মীসহ বিভিন্ন ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। শ্রীদেবী ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকের ভারতের বিনোদন শিল্পের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত নারী ছিলেন এবং তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী অভিনেত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৭৯ সালে ‘সোলভা সাওয়ান’ চলচ্চিত্র দিয়ে শ্রীদেবীর হিন্দি চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয়, এই চলচ্চিত্রটি ছিলো শ্রীদেবীর নিজেরই অভিনয় করা ১৯৭৭ সালের তামিল চলচ্চিত্র ‘ভায়াথিনিলে’ এর পুনঃনির্মাণ। চার বছর পর তিনি জিতেন্দ্রর বিপরীতে ‘হিম্মতওয়ালা’ চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হন। চলচ্চিত্রটি ১৯৮৩ সালে মুক্তি পায় এবং সে বছরের অন্যতম সেরা ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে, ‘হিম্মতওয়ালা’ চলচ্চিত্রের “ন্যায়নোঁ মেঁ সাপনা” গানটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই চলচ্চিত্রের সাফল্যের ফলে শ্রীদেবী বলিউডে প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর মর্যাদা লাভ করেন এবং তার বিখ্যাত “থান্ডার থাইস” উপনাম অর্জন করেন।

১৯৮৩ সালে ‘সাদমা’ চলচ্চিত্রটি দিয়ে শ্রীদেবী সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন এটি তার অভিনীত তামিল চলচ্চিত্র মুনড্রাম পিরাই চলচ্চিত্রের বলিউডি পুনর্নির্মাণ। পরের বছর তার অভিনীত তোহফা মুক্তি পায় এবং ১৯৮৪ সালের অন্যতম হিট চলচ্চিত্রের তকমা লাভ করে। এই চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি বলিউডের অন্যতম সেরা প্রধান চরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিন তাকে তাদের প্রচ্ছদে “প্রশ্নাতীতভাবে ১ নম্বর” বলে অভিহিত করে। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৮ সালের মধ্যে জিতেন্দ্র ও শ্রীদেবী জুটি একত্রে ১৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যার মধ্যে ১৩টি হিট এবং ৩টি ফ্লপ হয়।

- Advertisement -

নাগিনা ছবির সাফল্যের পর ১৯৮৭ সালে শ্রীদেবী মিস্টার ইন্ডিয়া চলচ্চিত্রে অপরাধ তদন্তকারী সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটিকে সেই সময়ের অন্যতম আইকনিক চলচ্চিত্র বলে অভিহিত করা হয়। শেখর কাপুর পরিচালিত চলচ্চিত্রটি সে বছরের অন্যতম আয়কারী চলচ্চিত্র হয় এবং হিট তকমা লাভ করে। এটি হিন্দুস্তান টাইমসের ‘হিন্দি চলচ্চিত্রের সেরা ১০ দেশাত্মবোধক চলচ্চিত্র’ তালিকায় থাকে।

২। মাধুরী দীক্ষিত (১৯৯০ থেকে ২০০০)
১৯৯০-এর পুরো দশক জুড়ে তিনি হিন্দি সিনেমার নেতৃত্বদানকারী অভিনেত্রী ও শীর্ষস্থানীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে একচ্ছত্র প্রাধান্য ও প্রভাব বিস্তার করেন। তিনি পরবর্তী কালে রাম লক্ষণ (১৯৮৯), ত্রিদেব (১৯৮৯), কিশেন কানাইয়া (১৯৯০), দিল (১৯৯০), সাজন (১৯৯১), বেটা (১৯৯২), খলনায়ক (১৯৯৩), হাম আপকে হ্যাঁয় কৌন..! (১৯৯৪), রাজা (১৯৯৫) ও দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরবর্তীতে তার অভিনীত অন্যান্য আলোচিত সিনেমার মধ্যে রয়েছে প্রেম প্রতিজ্ঞা (১৯৮৯), পরিন্দা (১৯৮৯), প্রহার (১৯৯১), আঞ্জাম (১৯৯৪), মৃত্যুদণ্ড (১৯৯৭), পুকার (২০০০), লজ্জা (২০০১), ও দেবদাস (২০০২)।

৩। ঐশ্বর্য রাই ( ১৯৯৯ থেকে ২০০৩)
মণি রত্নমের তামিল ছবি ইরুভার (১৯৯৭) ছবিতে অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন এবং প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য পান তামিল ছবি জিন্স (১৯৯৮)-এ। তিনি সঞ্জয় লীলা ভন্সালী পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সনম (১৯৯৯) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০২ সালে ভন্সালীর পরবর্তী ছবি দেবদাস-এ তিনি অভিনয় করেন। যার জন্য তিনি দ্বিতীয় বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল ছিলো তার কর্মজীবনের একটু বাজে সময়। এর পর তিনি অভিনয় করেন ব্লকবাস্টার ছবি ধুম ২ (২০০৬)-তে। এই ছবিটা ছিল তার বলিউডের বৃহত্তম অর্থনৈতিক সাফল্য। পরবর্তী সময় তাকে গুরু (২০০৭) এবং যোধা আকবর (২০০৮) এ অভিনয় করতে দেখা যায়, যেগুলি ছিলো অর্থনৈতিকভাবে সফল ছবি এবং এই ছবি গুলোতে অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিতও হন।

৪। কারিনা কাপুর (২০০৬ থেকে ২০১২)
২০০০ সালে রিফিউজি চলচ্চিত্র দিয়ে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। ২০০১সালে ঐতিহাসিক নাট্যধর্মী অশোক এবং মেলোড্রামাধর্মী ব্লকব্লাস্টার কভি খুশি কভি গম চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। শুরুর সাফল্যের পর তার কয়েকটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয় এবং নেতিবাচক সমালোচনা অর্জন করে। ২০০৪ সাল ছিল তার ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। এই বছর তিনি নাট্যধর্মী চামেলি চলচ্চিত্রে একজন যৌনকর্মীর ভূমিকায় এবং দেব চলচ্চিত্রে দাঙ্গা কবলিত এক নারী আলিয়া ভূমিকায় অভিনয় করেন। ২০০৬ সালে তিনি উইলিয়াম শেকসপিয়র রচিত ওথেলো নাটকের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত ওমকারা চলচ্চিত্রে মূল নাটকের ডেসডিমোনা চরিত্রের সংকলিত ডলি মিশ্রা ভূমিকায় অভিনয় করেন তার এই ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার লাভ করেন এবং প্রথম সবার নজরে আসে ।

এরপর ২০০৭ সালে জব উই মেট চলচ্চিত্রে গীত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য জন্য ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার পান এবং গীত রোল টি এত পরিচিতি পাই যে ইন্ডিয়াতে সে ওভার নাইট সুপার ষ্টার হয়ে যাই এবংফিল্মফেয়ার তাকে ১ নম্বর অভিনেএী টাইটেল দিয়ে দেয় যা ২০১২ সাল পযন্ত চলতে থাকে। ২০০৮ তাসান মুভি এর জন্য সাইজ জিরো করে, এত ফেম পাই যা ইন্ডিয়াতে কোন অভিনেএী আগে পাই নাই এবং ওই একই বছর গোলমাল রিটার্নস সুপার হিট হয়। ২০০৯ সাল যেন তার, তার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই কুরবান, থ্রি ইডিয়টস, কমবখ্‌ত ইশ্‌ক দিয়ে তার কাছেই আসতে পারে নাই, থ্রি ইডিয়টস সর্বাধিক ব্যবসা সফল ছবির মধ্যে ১নম্বর স্থান নেয়। ২০১০ সালের উই আর ফ্যামিলি চলচ্চিত্রে তার ভূমিকার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন এবং গোলমাল ৩ ওই বছর সর্বাধিক ব্যবসা সফল ছবির মধ্যে ২য় স্থান নেয়, ২০১১ সালে তার দুটি ছবি মুক্তি পাই বডিগার্ড, রা.ওয়ান দুটি মধ্যে বডিগার্ড ব্লকবাস্টার এবং রা.ওয়ান হিট হয়। ২০১২ সালে এক ম্যায় অর এক তু, এজেন্ট বিনোদ, হিরোইন, তালাশ দিয়ে ১ নম্বর স্থান ধরে রাখেন।

কারিনা কাপুর বলিউডের সর্বাধিক ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র থ্রি ইডিয়টস (২০০৯) বজরঙ্গী ভাইজান (২০১৫), সিংগাম রিটার্নস (২০১৪)কি এন্ড কা (২০১৬) গুড নিয়জ (২০১৯) বডিগার্ড রা.ওয়ান (২০১১) গোলমাল রিটার্নস (২০০৮) গোলমাল ৩ (২০১০) তালাশ( ২০১২) যাব উই মেট(২০০৭) চুপ চুপ কে (২০০৬)হালচাল (২০০৪)কাভি খুশি কাভি গাম, মুঝে কুচ কেহেনা হ্যায় (২০০১)চলচ্চিত্রে প্রধান নারী ভূমিকায় করে সাফল্য লাভ করেন। এছাড়া তার অভিনীত ২০০৯ সালে থ্রিলারধর্মী কুরবান। ২০০৪ সালে চামিলি, যুবা এবং দেব। ২০০৬ ওমকারা এবং ২০১২ সালে হিরোইন এবং তালাশ চলচ্চিত্র সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে।

৫। দীপিকা পাড়ুকোন (২০১৩ থেকে ২০১৫)
ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোনের মেয়ে, কোপেনহেগেনে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেঙ্গালুরুতে বেড়ে উঠেন। একজন তরুণী হিসেবে তিনি জাতীয় পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশীপে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ফ্যাশন মডেল হওয়ার জন্য তিনি খেলোয়াড় পেশার ইতি টানেন। তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব পান, এবং ঐশ্বরিয়া কন্নড চলচ্চিত্রে নামমাত্র চরিত্রে ২০০৬ সালে প্রথম অভিনয় করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে তার প্রথম বলিউড ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ওম শান্তি ওম মুক্তি পায় যেখানে তিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ নারী অভিষেক পুরস্কার লাভ করেন। পাড়ুকোন প্রণয়ধর্মী লাভ আজ কাল (২০০৯) এবং নাট্যধর্মী লাফাঙ্গে পারিন্দে (২০১০) চলচ্চিত্রে প্রধান ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য প্রশংসা লাভ করেন। তবে তার প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক বচনা অ্যায় হাসিনো (২০০৮) এবং হাস্যরসাত্মক হাউসফুল (২০১০) চলচ্চিত্রে তার অভিনয় নেতিবাচক মন্তব্য লাভ করে।

২০১২ সালের বক্স অফিস হিট ককটেল পাড়ুকোনের কর্মজীবনের সন্ধিক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়, যা তাকে সমালোচকদের কর্তৃক প্রশংসা অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন পুরস্কার সমারোহ অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য মনোনয়ন এনে দেয়। তিনি ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি, চেন্নাই এক্সপ্রেস, রামলীলা (২০১৩) করে ১ নম্বর অভিনেএী ট্যাগ গায়ে লাগিয়ে নেন, তিনি গোলিয়োঁ কী রাসলীলা রাম-লীলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা লাভ করেন, এবং ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার লাভ করেন, রামলীলা- লীলা রোল জন্য ৩০ টির এর বেশি পুরস্কার অজন লাভ করে যা রেকড এবং হ্যাপি নিউ ইয়ার (২০১৪) চলচ্চিত্রে সাফল্যের সাথে অভিনয় করেন যা সর্বোচ্চ-আয়কারী বলিউড চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান নেয়। ২০১৫ সালে, চলচ্চিত্র পিকু ও তামাশা মুক্তি পায়, একই সালে ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত ঐতিহাসিক ছবি বাজীরাও মস্তানীতে তিনি মস্তানি চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন এবং পিকু জন্য ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার লাভ করেন,২০১৩ টু ১০১৫ দীপিকা পাড়ুকোন এত হাইপ ছিলো যে সব পরিচালক তাকে প্রথম পছন্দের থাকতো।

৬। আলিয়া ভাট (২০১৬ থেকে ২০২০)
১৯৯৯ সালে তনুজা চন্দ্র পরিচালিত সংঘর্ষ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পীর ভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীকালে একজন প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী হিসাবে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও বরুণ ধবনের বিপরীতে করণ জোহর পরিচালিত স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার (২০১২) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন তিনি যেটি সে বছরের বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করে। তিনি জোহরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধর্ম প্রোডাকশন্স প্রযোজিত বেশকয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসাবে বলিউড চলচ্চিত্র শিল্পে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যার মধ্যে টু স্টেট্‌স (২০১৪), হাম্পটি শর্মা কি দুলহনিয়া (২০১৪), ডিয়ার জিন্দেগি (২০১৬) এবং বদ্রীনাথ কি দুলহনিয়া (২০১৭) অন্তর্ভূক্ত।

২০১৪ সালে, ইমতিয়াজ আলী পরিচালিত হাইওয়ে পথচলচ্চিত্রে স্টকহোম সিনড্রোমে আক্রান্ত কিশোরীর চরিত্রে ভাটের অভিনয় চলচ্চিত্র সমালোচকদের ইতিবাচক মন্তব্য লাভ করে। চলচ্চিত্রটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার জিতেছেন এবং একই অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্যও মনোনয়ন পেয়েছেন। ২০১৬ সালে, উড়তা পাঞ্জাব অপরাধ নাট্য চলচ্চিত্রে দারিদ্র্যপীড়িত অভিবাসী চরিত্রে এবং ২০১৮ সালে রাজি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ভাট শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীকালে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের সর্বাধিক উপার্জনকারী মহিলা-নের্তীত্বাধীন চলচ্চিত্রগুলিতে কাজ করেছিলেন। ২০১৯ সালে তার সর্বাধিক উপার্জনকারী সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র গালি বয় মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি ৯২তম একাডেমি পুরস্কারে সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে ভারত থেকে নির্বাচিত হয়েছিল।

আরো পড়ুনঃ
বাস্তব জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত বলিউডের আলোচিত কিছু সিনেমা
ঢালিউডের গৌরবময় অতীতঃ আমাদের সোনালি সময়ের সেইসব খলনায়কেরা

এ সম্পর্কিত

আরো পড়ুন

- Advertisement -

সর্বশেষ

মুক্তি প্রতীক্ষিত

  • লিডার আমিই বাংলাদেশ
    লিডার আমিই বাংলাদেশ