বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৫, ২০২১
Home ফিল্মী ব্লগ প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সোনালী সময়ের সিনেমার গল্পঃ এজে মিন্টুর ‘সত্য মিথ্যা’

প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সোনালী সময়ের সিনেমার গল্পঃ এজে মিন্টুর ‘সত্য মিথ্যা’

বাংলা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রকে যেকজন মেধাবী পরিচালক শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এ জে মিন্টু তাঁদের অন্যতম। এ জে মিন্টু এমনই একজন পরিচালক ছিলেন যাকে চলচ্চিত্র বলা হতো ‘মাস্টারমেকার’ যা আর কোন পরিচালককে বলা হতো না। আজ আপনাদের সেই মাস্টারমেকার এ জে মিন্টুর এমনই একটি দর্শকনন্দিত ছবি নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য দিবো যে ছবিটি দেখতে আপনাদেরও ইচ্ছা করবে। আজকে সোনালী প্রজন্মের সিনেমার গল্পে আজকে থাকছে এজে মিন্টুর ‘সত্য মিথ্যা’ সিনেমা।

- Advertisement -

১৯৮৯ সালের ৩রা মার্চ ‘সত্য মিথ্যা’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও খুলনায়। মুক্তি পাওয়ার পর দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও সিনেমা হল মালিকদের ছবিটি প্রদর্শন করার জন্য কাড়াকাড়ি লেগে যায়। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ঢাকার বাহিরে চট্টগ্রামে মুক্তি পাওয়ার প্রথম দিন থেকে একটানা ২৫ সপ্তাহ প্রদর্শিত হয়েছিল বা ‘সিলভার জুবিলি’ সপ্তাহের মাইলফলক অর্জন করে ছিল ছবিটি। ‘সত্য মিথ্যা’ ছবির এমন অবস্থা দেখে ১৯৮৯ সালের ২রা জুন ছবিটি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নতুন করে শুভ মুক্তি দেয়া হয়েছিল। এই ছবিটি সপরিবারের সিলেটের তৎকালীন সময়ে নবনির্মিত বিশাল পরিসরে ‘নন্দিতা’ সিনেমা হলে দেখেছিলাম যা আজো বারবার চোখে ভাসে।

ছবির গল্পটা ছিল এমন – চৌধুরী সাহেবের (গোলাম মোস্তফা) একমাত্র মেয়ে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত যাকে এতো সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও তিনি বিবাহ দিতে পারছেন না। যে মেয়ের কারণে উনি ঢাকা শহরে এসেছেন। উনার অফিসে চাকরি নেয় রাজু নামের এক যুবক যে বিবাহিত কিন্তু চাকরীর শর্তে অবিবাহিত একজন লোক খুঁজছেন যে সৎ ভাবে কাজকর্ম করবে। আলমগিরের চাকরীটা খুব দরকার তাই সে বিষয়টা চেপে যায়। ধিরে ধিরে চৌধুরী সাহেবের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে যায় আলমগীর এবং ঘটনার পরিক্রমায় চৌধুরী সাহেবের একমাত্র মেয়ে নূতনের সাথে পরিচয় হয়। যে নূতন কারো সাথে কথা বলতো না, ঘর থেকে বের হতো না সেই নূতন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে থাকে নতুন পরিবেশে। চৌধুরী সাহেবের চিন্তা দূর হলো যে মেয়েটা বহুদিন পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। তিনি আলমগিরের সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে উদ্যোগ নিলেন। কিন্তু আলমগির বিবাহিত এবং তাঁর একটা পুত্র সন্তানও আছে যার ফলে আলমগির এই বিয়েতে রাজী হয় না। চৌধুরী সাহেবের বাড়ীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ার হোসেন আলমগির’কে বুঝাতে গেলে আলমগির সব ঘটনা খুলে বলে চলে যায়। আলমগির বিবাহিত এই কথা শুধু আনোয়ার হোসেন জানেন যা তিনি বলার আগেই চৌধুরী সাহেব হৃদরোগে আক্রান্ত হোন আলমগির চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়ার খবর শুনে। ডাক্তার বলে যায় চৌধুরী সাহেব সুস্থ হলেও যদি কোন কারণে তিনি আবার দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হোন তাহলে তিনি মারাও যেতে পারেন।
আলমগির তাঁর স্ত্রী শাবানা’র কাছে এসব ঘটনা লুকিয়ে রাখেন।

- Advertisement -

এদিকে আলমগিরের ছেলে একটি দুর্ঘটনায় আহত হয় যাকে বাঁচাতে দেড় লক্ষ টাকা লাগবে কিন্তু আলমগিরের মতো নিম্নবিত্ত একজন মানুষের পক্ষে এতো টাকা যোগাড় করাও সম্ভব নয়। আলমগির টাকার যোগাড়ের জন্য বের হোন যাকে পথে পেয়ে যায় চৌধুরী সাহেবের ভৃত্য আনোয়ার হোসেন। আনোয়ার হোসেনও আলমগির’কে খুঁজতে বের হয়েছিল যাকে পেয়ে তিনি সব কথা খুলে বলেন। আলমগির তাতেও রাজী হয়না শেষপর্যন্ত আনোয়ার হোসেন আলমগিরকে বুঝান তোমার ছেলেকে বাঁচাতে হলে যে টাকা তুমি খুজছো তা তোমাকে কেউ দিবে না কিন্তু এই টাকা তুমি অনায়াসে পাবে যদি চৌধুরী সাহেবের মেয়েকে বিয়ে করতে রাজী হও। তাতে করে চৌধুরী সাহেব ও তোমার ছেলে দুটো জীবন বেঁচে যায়।অবশেষে আলমগির রাজী হয়। একদিকে হাসপাতালে আলমগিরের ছেলের অপারেশন চলছে অন্য দিকে আলমগির বিয়ের আসরে বর সেজে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাসর ঘরে প্রবেশের সাথে সাথে আনোয়ার হোসেন মিথ্যা বাহানা করে আলমগির’কে হাসপাতালে তাঁর অসুস্থ ছেলেকে দেখতে পাঠায়। এভাবে ছবি এগিয়ে যায়। চৌধুরী সাহেব যেদিন জানতে পারেন আলমগির পূর্বে বিবাহ করেছিল সেদিন তিনি হৃদরোগে মারা যান। তখনও নতুন জানে না আলমগির বিবাহিত আর শাবানাও জানে না আলমগির আরেকটি বিয়ে হয়েছে। আলমগির নতুনের সংসারে শাবানা ও তাঁর ছেলে কাজের বুয়া হিসেবে ঠাই নেয়। এমন সব নাটকীয়তায় ছবিটা এগিয়ে যায়, এক সময় সব সত্য মিথ্যা প্রকাশ পায়। অর্থাৎ যা ছিল সত্য তা হয় মিথ্যা আর যা মিথ্যা ছিল বিভিন্ন ঘটনার কারণে সেগুলো হয় সত্য। এমনই এক সম্পর্কের টানাপড়েনের গল্পের অসাধারন নির্মাণ ছিল ‘সত্য মিথ্যা’ ছবিটাতে যা হলভর্তি দর্শকের মনে দাগ কাটে। আজো ছবিটির কথা ভুলতে পারিনি। কিছু সাধারন ছোট ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ জে মিন্টু পুরো বাস্তবতার মিশেলে তৈরি করেছিলেন ‘সত্য মিথ্যা’ ছবিটি যা দেখে মনে হয়েছিল এটি আমাদের সমাজেরই কোন চেনা কারো অজানা গল্প।

সেদিন মাস্টার মেকার এ জে মিন্টু ছবির শুরু থেকেই এমনভাবে শাবানাকে রাখলেন যা নিয়ে সন্দেহ হয়েছিল দর্শকদের ছবিতে কি আসলেই শাবানা আছে তা। কারণ ছবিতে শাবানা থাকবেন অথচ ছবি শুরু হওয়ার পর থেকে এতো দীর্ঘ সময় শাবানার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না সেটা এর আগে দর্শকরা আর কোন ছবিতে দেখেছিলেন বলে মনে করতে পারছিল না। জহিরুল হকের সারেন্ডার ছবিতে শাবানা অনেকক্ষণ পর্দার বাহিরে ছিলেন কিন্তু ছবির শুরুর দিকে অন্তত দেখা দিয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি আছেন। কিন্তু মিন্টু তো একবারই শাবানাকে দেখাচ্ছে না এমনকি শাবানা আছেন সেটারও কোন ইঙ্গিত দিচ্ছেন না। মিন্টু শাবানাকে পর্দায় প্রথম দেখায় ছবি শুরু হওয়ার ৪০ মিনিট পর। আসলেই এ জে মিন্টু অন্য সবার চেয়ে আলাদা ছিলেন বলেই দর্শকদের হৃদয়ের মণি শাবানাকে আড়াল করে রাখার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন। মিন্টু ছবির গল্পের প্রয়োজনেই শাবানাকে পর্দায় একবারও আনেননি। কারণ গল্পটা যে ছিল জীবনযুদ্ধে বাধ্য হয়েই কিছু সত্যকে এড়িয়ে গিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া এক তরুনের গল্প যে তরুন জানেই না যে সে ধীরে ধীরে কিভাবে মিথ্যার জালে আটকে যাচ্ছে। বেকার আলমগির বিবাহিত এই কথাটি সে একবারও উল্লেখ করেনি বা এই প্রশ্নের উত্তর সে সরাসরি কিছুই দেয়নি কারণ বলে দিলে নতুন চাকরীটাই যদি চলে যায় সেই ভয়ে। আলমগিরের দরকার একটি চাকরীর কারণ ঘরে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে যারা অনাহারে দিনযাপন করছে। হঠাৎ বেকার হয়ে পড়া আলমগিরের আরেকটি চাকরী বড় প্রয়োজন এটাই শেষ কথা।

আলমগির চাকরী পেয়ে যান এবং কঠোর বসের মনও জিতে নিয়েছিলেন নিজের সাহস ও সততার মধ্য দিয়ে যা আলমগিরের জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে আলমগির আরও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হোন আর এভাবেই ছবির গল্পটি এগিয়ে যায়। আরও মজার ব্যাপার হলো ছবির প্রধান খলনায়ক রাজীব পর্দায় হাজির হয়েছিলেন সর্বপ্রথম বিরতির পর। রাজীব আসার আগে মিজু আহমেদ কে এমন ভাবে তৈরি করে রাখলেন যে মিজু আহমেদ এর সাথে রাজীব একই সুত্রে গাঁথা অথচ দুজন ছিল দুজনার অপিরিচত। এমন সাহস এ জে মিন্টু ছাড়া কে দেখাতে পারে বলুন?

পরিচালক এ জে মিন্টুর সুনির্মাণের উপর কারো কোন সন্দেহ নেই। ছবির গল্প বলার ধরনে মিন্টু বরাবরই ‘মাস্টারপিস’ যা সত্য মিথ্যা ছবিতে আরেকবার প্রমান করেন। গল্পের সব চরিত্রকে এক সুথোয় গেঁথে মালা বানানোতে মিন্টুর জুড়ি ছিল না। যে শাবানা শুরু থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত পর্দায় নেই সেই শাবানা পরবর্তীতে গল্পের অন্যতম শক্তিশালি একটি চরিত্র হিসেবে পর্দায় আবির্ভাব হলেন এবং শেষ দৃশ্য পর্যন্ত ছিলেন। শাবানা ছবিতে আছেন সেটা মিন্টু কয়েকটি দৃশ্য ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন যা খুব সাধারন দর্শকরা ধরতে পারার কথাও নয়। যখন গোলাম মোস্তফা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে তখন মোস্তফার মেয়ে নতুনকে হাসপাতালে রেখে কাউকে কিছু না বলে হুট করে কেবিন থেকে বের হয়ে টাউন বাসে চড়ে আলমগিরের কোথাও চলে যাওয়া এবং দু ঘণ্টা পর ভাত খেয়ে ফেরত আসা এসবই ছিল আলমগিরের গোপন কিছুর ইঙ্গিত দেয়া যা ততক্ষন পর্দায় না দেখানোটাই যুক্তিসঙ্গত ছিল। কারণ পর্দায় তখন একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, তাঁর একমাত্র মেয়ে ও তাঁদের কোম্পানিতে চাকরিরত একজন তরুনের গল্প দেখাচ্ছিল যে গল্পটি একটি ‘সত্য’কে এড়িয়ে গিয়ে ধীরে ধীরে মিথ্যার জালে পা দেয়ার গল্প।

…সবশেষে এইটুকু বলছি যে এ জে মিন্টুর সুনিপুণ নির্মাণের কাছে বছর শেষে মতিন রহমানের বক্স অফিস কাঁপানো ’রাঙাভাবী’ ও মালেক আফসারির বিদেশী গল্পের অসাধারন ছবি ‘ক্ষতিপূরণ’ হার মেনে যায়। কিছু সাধারন ছোট ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ জে মিন্টু বাস্তবতার সাথে মিশিয়ে তৈরি করেছিলেন ‘সত্য মিথ্যা’ ছবিটি যা দেখে মনে হয়েছিল এটি আমাদের সমাজেরই কোন চেনা কারো অজানা গল্প।

১৯৮৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘সত্য মিথ্যা’ ছবিটি একাধিক শাখায় পুরস্কার অর্জন করে। শাখাগুলো হলো –
১) সেরা পরিচালক – এ জে মিন্টু (সত্য মিথ্যা)
২) সেরা চিত্রনাট্যকার – এ জে মিন্টু (সত্য মিথ্যা)
৩) সেরা সংলাপ রচয়িতা – ছটকু আহমেদ (সত্য মিথ্যা’)
৪) সেরা শিশুশিল্পী – মাস্টার জনসন ( সত্য মিথ্যা’)
৫) সেরা সম্পাদক – মুজিবুর রহমান দুলু( সত্য মিথ্যা)।

ছবিতে আলমগির, শাবানা, নূতন, গোলাম মোস্তফা, মিজু আহমেদ, রাজীব ও আনোয়ার হোসেন সবাই যার যার জায়গায় দারুন অভিনয় করেছিলেন বা এ জে মিন্টু সবার কাছ থেকে সেরাটা আদায় করে নিয়েছিলেন। আজ এ জে মিন্টু বাংলা ছবি নির্মাণ করেন না কিন্তু বাংলা বাণিজ্যিক ছবির ইতিহাসে এ জে মিন্টু নামটি চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।

আরো পড়ুনঃ
শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘শত্রু ভয়ংকর’
এ জে মিন্টুর ‘ন্যায় অন্যায়’
মালেক আফসারীর ‘ক্ষতিপূরণ’

ফজলে এলাহী
বাংলা সিনেমার স্বরূপ সন্ধানে কাজ করে যাওয়া একজন অক্লান্ত যোদ্ধা ফজলে এলাহী। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী অতীত তুলে ধরার জন্য নিরলসভাবে লিখে যাচ্ছেন তিনি। ফজলে এলাহীকে আমাদের একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে পেয়ে ফিল্মীমাইক শ্লাঘা বোধ করছে। নতুন প্রজন্মের কাছে তার এই কাজকে পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন

সর্বশেষ মন্তব্য

মুক্তির প্রতীক্ষিত

  • Sphulingo

সর্বশেষ খবরাখবর

কারিনা কাপুরের ছেড়ে দেয়া

কারিনা কাপুরের ছেড়ে দেয়া আলোচিত ৭টি সিনেমা

0
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। ইতিমধ্যে অনেকগুলো সিনেমায় তিনি তার জনপ্রিয়তা এবং অভিনয় শক্তির প্রমান দিয়েছেন। 'রিফিউজি', 'যাব উই মেট' এবং...
মঞ্জু ওয়ারিয়র

দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পুরষ্কার পাওয়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ : মঞ্জু ওয়ারিয়র

0
২০২১ সালটা মঞ্জু ওয়ারিয়রের জন্য ইতিমধ্যে অন্যতম অর্জনের বছর হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। 'মারাক্কার' শ্রেষ্ঠ সিনেমা হিসেবে জাতীয় পুরষ্কার অর্জনের পর 'অসুরান' সেরা তামিল সিনেমা...
প্রকাশ্যে মোহনলালের দুর্দান্ত সংলাপ

প্রকাশ্যে মোহনলালের দুর্দান্ত সংলাপ এবং একশনে ভরপুর ‘আরাত্তু’ টিজার

0
করোনা প্রতিরোধের সকল প্রস্তুতি নিয়েই পালাকাণ্ডে দৃশ্যধারন করা হয়েছে মালায়লাম মেগাষ্টার মোহনলাল অভিনীত নতুন সিনেমা ‘আরাত্তু’। এছাড়াও সিনেমার কিছু অংশের শুটিং হয়েছে হায়দ্রাবাদে। জানা...
'সরকারু বাড়ি পাতা' সিনেমার

‘সরকারু বাড়ি পাতা’ সিনেমার দ্বিতীয় শিডিউল শুরু করলেন মহেশ বাবু

0
কিছুদিন আগেই সুপারষ্টার মহেশ বাবু দুবাইয়ে তার নতুন সিনেমা 'সরকারু বাড়ি পাতা' এর প্রথম শিডিউল। এবার জানা গেছে চলতি সপ্তাহে হায়দ্রাবাদে সিনেমাটির দ্বিতীয় শিডিউলের...
রনভীর সিংকে নিয়ে 'আনিয়ান'

রনভীর সিংকে নিয়ে ‘আনিয়ান’ হিন্দি রিমেক করছেন পরিচালক শঙ্কর

0
রনভীর সিংকে নিয়ে আলোচিত নির্মাতা শংকরের হিন্দি সিনেমা নির্মানের খবর শোনা গিয়েছিলো বেশ কিছুদিন আগে। এদিকে সম্প্রতি আরো গেছে সিনেমাটির সাথে এবার যুক্ত হলেন...

আরো পড়ুন