পরীমনি ইস্যুতে তার সাথে শিল্পী সমিতির আলাপ প্রসঙ্গে কি বললেন আলমগীর!

পরীমনি ইস্যুতে

মাদকদ্রব্য এবং পর্নোগ্রাফির অভিযোগে গ্রেফতারের পর পুলিশ রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে আছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিল্পী সিমিতির পক্ষ্য থেকে সংবাদ সম্মেলন করে পরীমনির সদস্যপদ স্থগিত করেছে শিল্পী সমিতি। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেছিলেন সিনিয়র শিল্পী আলমগীর, ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল রানাসহ সবার সঙ্গে কথা বলেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে অভিনেত্রী পরীমনির সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু পরীমনি ইস্যুতে তার সাথে শিল্পী সমিতির কেউ আলাপ করেননি বলে জানিয়েছেন আলমগীর!

- Advertisement -

একটি জাতীয় দৈনিকের সাথে আলাপকালে এ প্রসঙ্গে আলমগীর বলেন, ‘আমার সঙ্গে এই বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। আমি ওই সমিতির উপদেষ্টা পরিষদেরও কেউ না। আই অ্যাম নট এন এক্সিকিউটিভ মেম্বার। আমার নাম কেন জড়ানো হচ্ছে, জানি না। শিল্পী সমিতি থেকে এখন কেউ যদি আমার নাম বলে থাকে, সেটা মোটেও ঠিক হচ্ছে না। আবারও বলছি, আমার সঙ্গে কেউ কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি।’

একই প্রসঙ্গে শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর উক্ত দৈনিকের সাথে আলাপকালে বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি তো আলমগীর ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে বলিনি। আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়নি। আলমগীর ভাইয়ের কথা যেহেতু জায়েদ খান বলেছে, তাকেই জিজ্ঞেস করা উচিত।’ তবে চিত্রনায়ক উজ্জ্বল এবং সোহেল রানার সাথে পরীমনি ইস্যুতে তার আলাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিশা সওদাগর। কিন্তু আলাপছাড়া সিনিয়র তারকাদের নাম কেন জড়ানো হচ্ছে সে ব্যাপারে পরিষ্কার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি তার কাছ থেকে।

- Advertisement -

এদিকে আলাপ হলেও শিল্পী সমিতিকে ‘ধীরে চলো’ নীতির পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। এ প্রসঙ্গে উক্ত পত্রিকার সাথে আলাপকালে এই অভিনেতা বলেন, ‘যেকোনো অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহীর কাছে তো কর্তৃত্ব আছে। যে কর্তৃত্বে তারা সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। আমাকে যখন জিজ্ঞেস করেছে, পক্ষ-বিপক্ষে কোনো দিকে যাইনি। বলেছি গো স্লো (ধীরে চলো)। বলেছি, এত তাড়াহুড়ো করার তো কিছুই নাই। যেকোনো একটা ঘটনা ঘটলে তো সেটার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার প্রয়োজন পড়ে না।

প্রসঙ্গত, এর আগে পরীমনির বনানীর বাসায় যায় র‌্যাবের একটি দল। র‍্যাবের গোয়েন্দা দলের সদস্যদের সাথে সেখানে উপস্থিত ছিলেন র‍্যাব ভ্রাম্যমাণ আদালতের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও। এই ঘটনায় র‌্যাব জানিয়েছিলো, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আর এই অভিযানে তার বাসা থেকে ভয়ংকর মাদক এলএসডি উদ্ধারের দাবি করেছে র‍্যাব। এছাড়া ক্রিস্টাল আইস এবং মদ জব্দ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

আরো পড়ুনঃ
শিল্পী সমিতিকে পাশে পাচ্ছেন না পরীমনিঃ বাতিল হতে পারে সমিতির সদস্যপদ
মামলা গ্রেফতার এবং বহিষ্কার: পরীমনি ইস্যুতে প্রতিবাদের ঝড়
চিত্রনায়িকা পরীমনি আটক: বাসা থেকে ভয়ংকর মাদক এলএসডি উদ্ধার

এ সম্পর্কিত

আরো পড়ুন

- Advertisement -

সর্বশেষ

মুক্তি প্রতীক্ষিত

  • লিডার আমিই বাংলাদেশ
    লিডার আমিই বাংলাদেশ